সর্বশেষ

মাসিক প্রতিবেদনের তালিকায় অবৈধ ভবন নির্মানে অভিযুক্ত বেশকিছু স্থাপনা ..... সূত্র : রাজউক।

প্রকাশ :


২৪খবর বিডি: রাজধানীর বুকে ছোট -বড় , বহুতল ভবন নির্মাণ করতে কে না চায়।  এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পূর্বে যে কোন ইমারত নির্মানের ক্ষেত্রে প্রতি ভবন মালিককে নিতে হবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) কর্তৃক ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র পরে ইমারত নির্মাণের জন্য নকশার অনুমোদন।

সরেজমিনে দেখা যায় ভবন /ইমারত নির্মাণের ক্ষেত্রে অনেকেই মানছে না রাজউকের ইমারত নির্মাণ বিধিমালা আইন। তারপরও  থেমে নেই অনুমোদনহীন ভবন /ইমারত নির্মাণ কাজ।

'উল্লেখ্য ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাস হতে জুন ২০২২ পর্যন্ত মাসিক প্রতিবেদনের তালিকায় অবৈধ ভবন নির্মানে অভিযুক্ত বেশকিছু স্থাপনা।'

-এর পূর্বে ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে রাজউকের দেয়া ভবন পরিদর্শকের প্রতিবেদনে দেখা যায় রাজউক জোন -৫/৩ এর আওতাধীন অবৈধ ভবন নির্মাণে দুই মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। (১) জনাব সাজ্জাদুর রহিম গং এর নিযুক্ত আম-মোক্তার  মোঃ ফকরুল ইসলাম , ব্যাবস্থাপনা পরিচালক  - মেট্রো হোমস লিঃ , প্লট - ৩১, রোড -৯/এ , ধানমন্ডি  আ/এ ,ঢাকা।  উক্ত ইমারতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় উচ্ছেদ অভিযান করা হয়।  (২) জনাব এ.কে.এম আশরাফ হোসেন গং  দেওয়া আম -মোক্তার ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান , বায়ো প্রপাট্রিজ লিঃ , প্লট - ৫/৪, ব্লক - বি ,লালমাটিয়া  আ/এ ,ঢাকা। উক্ত অবৈধ ভবনটিকে রাজউক কর্তৃক ২য় নোটিশ করা হলেও রাজউক পরিদর্শনকালে দেখে আংশিক  ১০ম তলা ইমারতের কাজ চলমান।

পক্ষান্তরে রাজউকের ইমারত নির্মাণ আইন ভঙ্গ করে নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু করে কোন প্রকার অনুমুতি ছাড়াই। এই বিষয়ে রাজউক জোন -৫/৩ এর প্রধান ইমারত পরিদর্শক মোঃ শফিকুল ইসলাম উক্ত দুই অবৈধ নির্মাণাধীন ইমারতের বিষয়টি এড়িয়ে যান বলেন এই বিষয়ে অথরাইজড অফিসার ৫ মোঃ নুরুজ্জামান এর সাথে কথা বলেন , পরে  অথরাইজড অফিসারকে না পেয়ে তার মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি বলেন  হতে পারে আমি দেখি নাই , আমাকে নথি দেখে পরে বলতে হবে এখন আমি কিছুই বলতে পারব না।

পরবর্তীতে সঠিক উত্তর জানতে রাজউক জোন -৫ এর অথরাইজড অফিসার মোঃ নুরুজ্জামান হোসেন এর সাথে ফোনে কথা বলতে চাইলে ফোন বন্ধ পাওয়া  যায় বলে রাজউক ভবনে সাক্ষাৎ করে উক্ত 'মাসিক প্রতিবেদনের তালিকায় অবৈধ ভবন' নির্মানে অভিযুক্ত স্থাপনার প্রতিবেদন বিষয়ে জানতে চাইলে এক প্রশ্নউত্তরে তিনি বলেন অবৈধ স্থাপনার তালিকা আমি দেখেছি বিস্তারিত জানতে দয়া করে আমাদের জোন -৫ এর প্রধান ইমারত পরিদর্শক মোঃ শফিকুল ইসলামের সাথে কথা বলেন।

মাসিক প্রতিবেদনের তালিকায় অবৈধ ভবন নির্মানে অভিযুক্ত বেশকিছু স্থাপনা...সূত্র: রাজউক।

রাজউক জোন -৫ এর অথরাইজড অফিসার মোঃ নুরুজ্জামান হোসেন এর কথা মতো জোন -৫ এর প্রধান ইমারত পরিদর্শক মোঃ শফিকুল ইসলামের সাথে  উক্ত বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি বলেন এখন আমার হাতে সময় নেই বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। এক পর্যায়ে প্রধান ইমারত পরিদর্শক মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন ভাই বেশি বিরক্ত করবেন না, তখন তিনি নিজ অফিস কক্ষে সাংবাদিককে বলেন 'আপনি কি ক্র্যাক'  " একবর বলেছি বিরক্ত করবেন না ''
বলে চলে যান কোনো উত্তর না দিয়ে।

-পরে জোন -৫ এর প্রধান ইমারত পরিদর্শক মোঃ শফিকুল ইসলামের হুমকি স্বরূপ অকত্থ আচরণের বিষয়টি রাজউক চেয়ারম্যনকে জানাতে গেলে জানা যায় রাজউকের বর্তমান চেয়ারম্যন মোঃ আনিসুল হক মিয়া নতুন যোগদান করায় সাময়িক ভাবে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কাজে ব্যাস্ত থাকায় উক্ত বিষয়ে কোনো সমাধান পাওয়া যায় নাই।

উল্লেখ্য সাম্প্রতিক প্রধানমন্ত্রীর এক সংবাদ সম্মেলনে  প্রধানমন্ত্রী বলেন 'সাংবাদিকরাই দুর্নীতির তথ্য খুঁজে খুঁজে বের করবে, এটা তাদের দায়িত্ব।'
 চলমান.....'খবর বিশ্লেষণ' 

Share

আরো খবর


সর্বাধিক পঠিত